
রাজবাড়ী গোয়ালন্দে ৩শরা ডিসেম্বর সোমবার সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে হঠাৎ কয়েকটি গুলির শব্দে আতঙ্কিত অবস্থায় ছোটাছুটি করতে থাকে যাত্রী-সাঃ মানুষ।
প্রত্যক্ষদর্শী’ এক জন যাত্রী বলেন- গোয়ালন্দ মোড়ে গুলির শব্দে যখন মানুষ ছুটাছুটি করছিলো আমি তখন বাসের মধ্যে বসেছিলাম। বাস থেকে নেমে গিয়ে দেখি কালো গেঞ্জি পরিহিত একটি লোক হাতে তার রিভলবার। এই অবস্থা আরেকজন লোককে মারপিট আর গালি-গালাজ করছে। হাতে অস্ত্র থাকায় এগিয়ে আসছে না কেউ ।
খবর পেয়ে আহলাদিপুর হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে আসলে দ্রুত প্রাইভেটকার নিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটের দিকে রওনা হয় প্রাইভেটকারটি। পুলিশ সদস্যরা মহাসড়কের গোয়ালন্দ উপজেলার মকবুলের দোকানস্থ এলাকা থেকে গাড়িটি সহ তাদের আটক করে খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে। আটককৃত ব্যক্তির নাম ওমর ফারুখ। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দা এবং পেশায় ব্যাবসায়ী ।
আহলাদিপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ পারভেজ জানান, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে আসা দুটি প্রাইভেট কার গোয়ালন্দ মোড় পার হওয়ার সময় একটার সাথে আর একটার ধাক্কা লাগে। এ সময় প্রাইভেটকার মালিক ওমর ফারুক অপর প্রাইভেটকার চালক হাবিবকে মারপিট করতে থাকে। এ সময় স্থানীয়রা ওমর ফারুখ ও তার ছেলেকে উত্তম মধ্যম দিলে ওমর ফারুখ তার লাইসেন্সকৃত পিস্তল দিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়ে।
রাজবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ স্বপন কুমার মজুমদার জানান, গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় গুলির খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই । আহলাদিপুর হাইওয়ে থানার ওসি, খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আই ছি আমরা উপস্থিত থেকে প্রাইভেটকারের চালক ও ওমর ফারুখের মধ্যে আপস মিমাংসা করে দিয়েছি । অভিযুক্ত ওমর ফারুখের দাবী ছিলো তার ছেলেকে জনতার হাত থেকে বাঁচাতে তিনি ফাঁকা গুলি ছুড়েছেন । স্থানীয় লোকজন তার ছেলেটিকে বেধড়ক ভাবে মেরে মুখ ফুলিয়ে ফেলে। এ বিষয়ে সদর থানার ও,সি আরো জানান- পরস্পরের ভুল বুঝা-বুঝিতেই ঘটনাটি ঘটে কিন্তু স্থানীয় জনতা ছেলেটিকে মেরেই ঘটনাটির মারাত্বক রুপ দেয়। যে দুই প্রাইভেটকার চালকদের মধ্যে ঝামেলা তারা ভুল বুজতে পারে ,কিন্তু স্থানিয় জনতা তার ছেলেকে বেধরক মারার সময় ছেলেকে বাচানোর জন্যই মূলত সে ফাকা গুলী চালায়,তবে কাউকে উদ্দেশ্য করে গুলি চালায়নি ।
